০৭:২২ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬

কালো জাদুর লক্ষণ, প্রতিকারের উপায় জানালেন শায়খ আহমাদুল্লাহ

  • রিপোর্টার
  • আপডেট সময় : ০২:৪৯:৫৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ৫২ Time View

সারা পৃথিবীতে মানুষই মানুষের ক্ষতির বড় কারণ কালো জাদু। কেউ কারো চক্ষুশূল হলে দ্বারস্থ হন জাদুটোনার কাছে। আখিরাতের কথা বেমালুম ভুলে পার্থিব জীবনের সুখ ভোগে অপরের ক্ষতিসাধনে লিপ্ত হন অনেকেই। এ বিষয়ে কথা বলেছেন আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান ও ইসলামি আলোচক শায়খ আহমাদুল্লাহ।

তিনি বলেন, সারা পৃথিবীতে মানুষই মানুষের ক্ষতি সাধারণত জিনের মাধ্যমে জাদু করা হয়ে থাকে। এটি কোনো চিকিৎসায় কাজ হয় না। এর জন্য আলেমের দরকার হয়। এছাড়াও নানা উপায়ে জাদুটোনা করা হয়ে থাকে।

কাউকে জাদুটোনা করা হলে সেই ব্যক্তির মধ্যে যেসব লক্ষণ দেখা দেয় তা হলো-

১. জাদুগ্রস্ত ব্যক্তি কুরআনের তিলাওয়াত শুনতে পারে না।

২. তীব্র মাথ ব্যথা থাকবে।

৩. কারণে অকারণে কান্না করবে। অনবরত চোখ দিয়ে পানি পড়তে থাকবে।

৪. সবসময় একা থাকতে চায়।

৫. ক্ষুধামন্দা লেগে থাকে।

৬. দুর্বল হয়ে পড়ে থাকে।

৭. অনবরত হাই তুলবে এবং সে সবসময় ঝিমাতে থাকবে।

প্রতিকার কী?

সকাল সন্ধ্যার দোয়া পাঠ করতে হবে।

সূরা এখলাস ৩ বার

সূরা ফালাক ৩ বার

সূরা নাছ ৩ বার পড়ে পানিতে ফু দিয়ে খেতে পারেন।

আসরের পর মাগরিবের সময় এইসব দোয়া পড়ে জাদুগ্রস্ত ব্যাক্তিকে ফু দিবেন। এছাড়া যে বাড়িতে সূরা বাকারাহ নিয়মিত পাঠ করা হয় সে বাড়িতে কেউ জাদুটোনা করতে পারে না।

Tag :

One thought on “কালো জাদুর লক্ষণ, প্রতিকারের উপায় জানালেন শায়খ আহমাদুল্লাহ”

Comments are closed.

About Author Information

জনপ্রিয় নিউজ

কালো জাদুর লক্ষণ, প্রতিকারের উপায় জানালেন শায়খ আহমাদুল্লাহ

আপডেট সময় : ০২:৪৯:৫৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

সারা পৃথিবীতে মানুষই মানুষের ক্ষতির বড় কারণ কালো জাদু। কেউ কারো চক্ষুশূল হলে দ্বারস্থ হন জাদুটোনার কাছে। আখিরাতের কথা বেমালুম ভুলে পার্থিব জীবনের সুখ ভোগে অপরের ক্ষতিসাধনে লিপ্ত হন অনেকেই। এ বিষয়ে কথা বলেছেন আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান ও ইসলামি আলোচক শায়খ আহমাদুল্লাহ।

তিনি বলেন, সারা পৃথিবীতে মানুষই মানুষের ক্ষতি সাধারণত জিনের মাধ্যমে জাদু করা হয়ে থাকে। এটি কোনো চিকিৎসায় কাজ হয় না। এর জন্য আলেমের দরকার হয়। এছাড়াও নানা উপায়ে জাদুটোনা করা হয়ে থাকে।

কাউকে জাদুটোনা করা হলে সেই ব্যক্তির মধ্যে যেসব লক্ষণ দেখা দেয় তা হলো-

১. জাদুগ্রস্ত ব্যক্তি কুরআনের তিলাওয়াত শুনতে পারে না।

২. তীব্র মাথ ব্যথা থাকবে।

৩. কারণে অকারণে কান্না করবে। অনবরত চোখ দিয়ে পানি পড়তে থাকবে।

৪. সবসময় একা থাকতে চায়।

৫. ক্ষুধামন্দা লেগে থাকে।

৬. দুর্বল হয়ে পড়ে থাকে।

৭. অনবরত হাই তুলবে এবং সে সবসময় ঝিমাতে থাকবে।

প্রতিকার কী?

সকাল সন্ধ্যার দোয়া পাঠ করতে হবে।

সূরা এখলাস ৩ বার

সূরা ফালাক ৩ বার

সূরা নাছ ৩ বার পড়ে পানিতে ফু দিয়ে খেতে পারেন।

আসরের পর মাগরিবের সময় এইসব দোয়া পড়ে জাদুগ্রস্ত ব্যাক্তিকে ফু দিবেন। এছাড়া যে বাড়িতে সূরা বাকারাহ নিয়মিত পাঠ করা হয় সে বাড়িতে কেউ জাদুটোনা করতে পারে না।